মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলের বদলে গাছের চারা দিয়ে এমপিকে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিশ্ব বসতি দিবসের সেমিনারে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ আলহাজ্ব লায়ন খান আকতারুজ্জামানের পলিমাটির আশীর্বাদ: যমুনা চরে মাসকলাই চাষে বাম্পার ফলনের আশা। লায়ন্স ক্লাবের সদস্য হলেন ঢাকা প্রেসক্লাব ও আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল ডেঙ্গু প্রতিরোধে জয়পুরহাটে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান দেবীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতার মামলায় হয়রানির অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি লামার ফাইতংয়ে ১৩ ইটভাটাকে ২৯ লাখ টাকা জরিমানা থানচিতে পর্যটকবাহী জিপ উল্টে দুই পর্যটক নিহত, আহত ৫ আইডিআরএর উদ্যোগে তৃতীয় দফায় ২৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকার বীমা দাবি পরিশোধ, উপকৃত ৭,৬৪১ পলিসিধারী দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার, গুজব-যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা:-

সিংড়ায় কচুরিপানায় ৩০০ একর জমি, অনিশ্চিত বোরো আবাদ

মোঃ ইব্রাহিম আলী, সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

বর্ষার পানি নেমে গেলেও নামছে না কচুরিপানার বিশাল স্তূপ। উজান থেকে ভেসে আসা কচুরিপানায় দখল হয়ে গেছে বিলের বিস্তীর্ণ কৃষিজমি। এতে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ৫ নম্বর চামারী ইউনিয়নের কান্দি-ঘুটিয়া-মহিষমারী গ্রামের বিলে প্রায় ৩০০ একর জমিতে এবার বোরো ধান চাষ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিপাকে পড়েছেন শতাধিক কৃষক।

কৃষিপ্রধান এ বিলটিতে বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার পরও জমিতে আটকে থাকা কচুরিপানা সরানো যাচ্ছে না। ফলে জমি চাষাবাদের উপযোগী করতে কৃষকদের অতিরিক্ত শ্রমিক খরচ গুনতে হচ্ছে। কৃষকদের দাবি, প্রতি বিঘা জমি থেকে কচুরিপানা পরিষ্কার করতে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। এতে বোরো মৌসুমের শুরুতেই উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

সরেজমিনে কান্দি-ঘুটিয়া-মহিষমারী বিলে গিয়ে দেখা যায়, ৮-১০ জন কৃষক দলবদ্ধভাবে জমি থেকে কচুরিপানা অপসারণ করছেন। কেউ পানিতে নেমে কচুরিপানা টেনে তুলছেন, আবার কেউ সেগুলো জমির আইলে স্তূপ করে রাখছেন। দীর্ঘ সময় ও অতিরিক্ত শ্রমের কারণে দ্রুত কচুরিপানা অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

কৃষক মোহাম্মদ কাদের মুধা জানান, তার ১০ বিঘা জমিতে কচুরিপানা জমে আছে। তিনি বলেন, কচুরিপানা পরিষ্কার শুরু করেছি। প্রতি বিঘায় প্রায় ৭ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। তিন বিঘা পরিষ্কার করতে পেরেছি। এখনো সাত বিঘা জমি পরিষ্কার করা বাকি।

কৃষক মোস্তফা প্রামাণিক ও শামসু মোল্লা বলেন, এমনিতেই তেল, সার ও কৃষি উপকরণের দাম বেশি। এর ওপর কচুরিপানা পরিষ্কার করতে অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হচ্ছে। ফলে এবার বোরো ধানের উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে যাবে।

কৃষক সাদ্দাক, খোরশেদ ও কুদ্দু প্রামাণিক জানান, কচুরিপানা পরিষ্কার করতে গিয়ে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। অতিরিক্ত খরচের কারণে অনেক কৃষক বোরো ধান চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। দ্রুত কচুরিপানা অপসারণ করা না হলে বিলের প্রায় ৪০ শতাংশ জমি অনাবাদি থাকার আশঙ্কা করছেন তারা। ভুক্তভোগী কৃষকরা বলেন, সরকারি উদ্যোগে দ্রুত কচুরিপানা অপসারণ করা গেলে তারা স্বল্প খরচে জমি চাষের উপযোগী করতে পারবেন। এ জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনুর সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।এ বিষয়ে সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হবে। পাশাপাশি দ্রুত কৃষকরা যেন এ সমস্যা কাটিয়ে বোরো আবাদ শুরু করতে পারেন, সে ব্যাপারে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪০ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
  • ১৬:০৩ অপরাহ্ণ
  • ১৭:৪৫ অপরাহ্ণ
  • ১৮:৫৮ অপরাহ্ণ
  • ৫:৫১ পূর্বাহ্ণ
©2026 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102